Skip to main content
<< জাপান এর পোস্টে ফিরে যান

জাপানের অভিবাসন প্রক্রিয়া: আগমন, নিবন্ধন ও প্রস্থান

Preview image for the video "অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পর্কিত তথ্য".
অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পর্কিত তথ্য

জাপানের অভিবাসন প্রক্রিয়া ভিসা বা বিমানবন্দরের পরিদর্শনে শেষ হয় না। আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ধাপগুলো নির্ভর করে আপনার জাতীয়তা, ভ্রমণের উদ্দেশ্য, অনুমোদিত মর্যাদা এবং আপনি স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণকারী নাকি বাসিন্দা—তার ওপর। এই নির্দেশিকায় প্রস্থানের আগে প্রস্তুতি থেকে আগমন, স্থানীয় নিবন্ধন, অবস্থানকালে প্রতিবেদন দাখিল এবং স্থায়ী প্রস্থান পর্যন্ত বাস্তব সময়ক্রম অনুসরণ করা হয়েছে। এতে জাপানের আগমন কার্ড, Visit Japan Web, আবাসিক কার্ড এবং প্রতিটি প্রক্রিয়ার জন্য দায়ী প্রধান কর্তৃপক্ষ সম্পর্কেও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

আপনার ক্ষেত্রে জাপানের কোন অভিবাসন প্রক্রিয়া প্রযোজ্য?

প্রথম ধাপ হলো আপনার প্রশাসনিক শ্রেণি নির্ধারণ করা। পর্যটক, ব্যবসায়িক ভ্রমণকারী, বিনিময় শিক্ষার্থী এবং কর্মী—সবাই বিদেশি নাগরিক হিসেবে জাপানে প্রবেশ করতে পারেন, কিন্তু তাদের চলমান দায়িত্ব একেবারেই ভিন্ন হতে পারে। আপনি কত দিন থাকার আশা করছেন, শুধু তার ভিত্তিতে নিজেকে শ্রেণিবদ্ধ করবেন না। আবাসনের মর্যাদা, অবতরণের অনুমতি, ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং সরকারি শর্তগুলোও গুরুত্বপূর্ণ।

স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণকারী এবং মধ্যমেয়াদি থেকে দীর্ঘমেয়াদি বাসিন্দা

স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণকারী সাধারণত পর্যটন, ব্যবসায়িক সভা, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা বা অন্য কোনো অস্থায়ী উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেন। স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণকারী সাধারণত আবাসিক কার্ড পান না এবং পৌর কার্যালয়ে বাসিন্দা নিবন্ধন ব্যবস্থায় প্রবেশ করেন না। তবুও ভ্রমণকারীকে অভিবাসন ও কাস্টমস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে এবং অনুমোদিত থাকার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে চলে যেতে হবে, অথবা বৈধ অনুমতি নিতে হবে।

যোগ্য মধ্যমেয়াদি থেকে দীর্ঘমেয়াদি বাসিন্দা হলেন এমন বিদেশি নাগরিক, যিনি পড়াশোনা, চাকরি, পারিবারিক বসবাস বা অন্য কোনো স্বীকৃত কার্যক্রমের মতো চলমান উদ্দেশ্যে আবাসনের মর্যাদার অধীনে জাপানে থাকার অনুমতি পেয়েছেন। এই শ্রেণিতে সাধারণত আবাসিক কার্ড, পৌরসভার সঙ্গে ঠিকানা নিবন্ধন, মৌলিক বাসিন্দা নিবন্ধন ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগ এবং ব্যক্তিগত বা সাংগঠনিক তথ্যে প্রাসঙ্গিক পরিবর্তন হলে অতিরিক্ত প্রতিবেদন দাখিলের দায়িত্ব থাকে।

ভ্রমণকারীর শ্রেণিআগমনের প্রধান নথিআগমনের পর প্রশাসনিক কাজ
স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণকারীপাসপোর্ট, প্রযোজ্য ভিসা বা ভিসামুক্ত প্রবেশের ভিত্তি এবং আগমনের তথ্যসাধারণত কোনো আবাসিক কার্ড বা পৌর বাসিন্দা নিবন্ধন থাকে না; অনুমোদিত থাকার মেয়াদ ও প্রস্থানের নিয়ম অনুসরণ করতে হবে
যোগ্য মধ্যমেয়াদি থেকে দীর্ঘমেয়াদি বাসিন্দাপাসপোর্ট, মর্যাদা-সম্পর্কিত নথি এবং অবতরণের অনুমতিআবাসিক কার্ড, পৌর ঠিকানা নিবন্ধন, বাসিন্দার রেকর্ড এবং প্রযোজ্য অভিবাসন বিজ্ঞপ্তি

কিছু শ্রেণি ও ব্যক্তিগত পরিস্থিতি সাধারণ একটি ছকে সহজে ফেলা যায় না। উদাহরণস্বরূপ, একই বিস্তৃত উদ্দেশ্যের ক্ষেত্রেও প্রবেশের সময় দেওয়া আবাসনের মর্যাদা বা অনুমতির ওপর নির্ভর করে শর্ত আলাদা হতে পারে। প্রস্থানের আগে আপনার জাতীয়তা, ভ্রমণের উদ্দেশ্য, মর্যাদা বা ভিসার ভিত্তি এবং অনুমোদিত সময়কাল সংশ্লিষ্ট জাপানি দূতাবাস, কনস্যুলেট, ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস এজেন্সির তথ্য বা অন্য কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিশ্চিত করুন।

ভিসা ও আবাসনের মর্যাদা প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার সমার্থক নয়

ভিসা ও আবাসনের মর্যাদা ভিন্ন ভূমিকা পালন করে। সাধারণভাবে, ভিসা জাপানে ভ্রমণ করে অবতরণের অনুমতি চাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত; অন্যদিকে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের সময় অনুমোদিত মর্যাদা ও থাকার মেয়াদ ব্যক্তি কী করতে পারবেন এবং কত দিন থাকতে পারবেন তা নিয়ন্ত্রণ করে। ভিসামুক্ত ভ্রমণকারীরও অবতরণের পর একটি অভিবাসন মর্যাদা ও অনুমোদিত সময়কাল থাকে, যদিও ভ্রমণের আগে কোনো ভিসা নেওয়া হয়নি।

এই নিবন্ধটি ভিসা কীভাবে পাওয়া যায় তা নয়, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নিয়ে। এতে যোগ্যতার সনদ, নির্দিষ্ট কাজ বা পড়াশোনার মর্যাদা, মর্যাদা পরিবর্তন বা থাকার মেয়াদ বাড়ানোর যোগ্যতা ব্যাখ্যা করা হয়নি। এসব বিষয় বর্তমান কনস্যুলার বা ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস এজেন্সির নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালনা করতে হবে। ঠিকানা নিবন্ধন বা অনলাইন ফর্ম পূরণ করা অনুপযুক্ত, মেয়াদোত্তীর্ণ বা অন্যভাবে অবৈধ অভিবাসন মর্যাদা সংশোধন করতে পারে না।

প্রধান ধাপগুলোর সময়ক্রম

বেশিরভাগ ভ্রমণকারী পাঁচটি ধাপের মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি বুঝতে পারেন। সঠিক কাজগুলো ওপরের নির্ধারিত শ্রেণির ওপর নির্ভর করে।

  1. প্রস্থানের আগে: প্রবেশের ভিত্তি নিশ্চিত করুন, সামঞ্জস্যপূর্ণ ভ্রমণ তথ্য প্রস্তুত করুন এবং আপনার ভ্রমণের জন্য বর্তমান নির্দেশনা প্রযোজ্য হলে Visit Japan Web ব্যবহার করুন।
  2. আগমনের সময়: অভিবাসন পরিদর্শন সম্পন্ন করুন, অবতরণের অনুমতি নিন বা নিশ্চিত করুন, কাস্টমস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন এবং সেই স্থানে পাওয়ার যোগ্য হলে আবাসিক কার্ড সংগ্রহ করুন।
  3. স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করার পর: যোগ্য বাসিন্দা সাধারণত প্রযোজ্য ১৪ দিনের মধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত শহর, ওয়ার্ড,町 বা গ্রামের কার্যালয়ে প্রথম ঠিকানা নিবন্ধন করবেন।
  4. অবস্থানের সময়: সঠিক পৌর বা অভিবাসন চ্যানেলের মাধ্যমে ঠিকানা, স্কুল, চাকরি বা গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রযোজ্য পরিবর্তন জানাবেন।
  5. প্রস্থানের সময়: অস্থায়ী ভ্রমণ ও স্থায়ী স্থানান্তরের পার্থক্য নির্ধারণ করুন, প্রাসঙ্গিক পৌর ও মর্যাদা-সম্পর্কিত কাজ সম্পন্ন করুন এবং অনুমোদিত সময়কাল শেষ হওয়ার আগে চলে যান।

এই সিদ্ধান্তপথ অনুসরণ করুন: আপনি অস্থায়ীভাবে ভ্রমণ করলে প্রবেশের তথ্য, কাস্টমস এবং অনুমোদিত প্রস্থানের তারিখে মনোযোগ দিন; জাপানে বসবাস করলে আবাসিক কার্ড ও স্থানীয় ঠিকানা নিবন্ধনের প্রস্তুতি নিন; শিক্ষার্থী বা কর্মী হলে আপনার মর্যাদা গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের কোনো বিজ্ঞপ্তির দায়িত্ব তৈরি করে কি না জিজ্ঞাসা করুন; ঠিকানা পরিবর্তন বা স্থায়ী প্রস্থানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অভিবাসন বা প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পৌর কার্যালয়ে যোগাযোগ করুন।

প্রস্থানের আগে: জাপানে প্রবেশের প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি

ভালো প্রস্তুতি সীমান্তে অসামঞ্জস্য কমায়। অভিবাসন কর্মকর্তা ও কাস্টমস কর্মকর্তা ভিন্ন ধরনের প্রশ্ন পরিচালনা করেন, তাই পাসপোর্ট, ভ্রমণের বিবরণ, থাকার তথ্য এবং মর্যাদা-সম্পর্কিত নথি সহজে পাওয়া যায় এমনভাবে রাখুন। অনলাইন নিবন্ধন তথ্য সংগঠিত করতে পারে, কিন্তু প্রবেশের আইনি শর্তের বিকল্প নয়।

Visit Japan Web ও অনলাইন আগমন নিবন্ধন

ডিজিটাল এজেন্সি সার্ভিসেস Visit Japan Web-কে এমন একটি ওয়েবসেবা হিসেবে বর্ণনা করে, যা অভিবাসন ছাড়পত্র ও কাস্টমস ঘোষণার জন্য ব্যবহার করা যায়। ভ্রমণকারীরা এই সেবায় ভ্রমণ ও আগমনের তথ্য দিতে পারেন এবং নিজেদের পরিস্থিতির জন্য প্রদর্শিত ডিজিটাল ধাপ অনুসরণ করতে পারেন। এটি জাপানের অনলাইন অভিবাসন নিবন্ধন ও কাস্টমস প্রস্তুতির সঙ্গে সাধারণত যুক্ত বর্তমান সরকারি সেবার নাম।

Preview image for the video "Visit Japan Web দিয়ে নির্বিঘ্নে দেশে ফেরা".
Visit Japan Web দিয়ে নির্বিঘ্নে দেশে ফেরা

Visit Japan Web কোনো ভিসা, আবাসনের মর্যাদা বা ভ্রমণকারীকে প্রবেশের নিশ্চয়তা নয়। অনলাইন ফর্ম পূরণ করলেও সঠিক পাসপোর্ট, ভিসা বা ভিসামুক্ত প্রবেশের ভিত্তি, সহায়ক নথি এবং অনুমোদিত উদ্দেশ্য থাকা আবশ্যক। এটি অভিবাসন বা কাস্টমস কর্মকর্তাদের নির্দেশনার বিকল্পও নয়। সেবা, উপলভ্য ঘর, ডিজিটাল ফলাফল এবং বিমানবন্দরের প্রক্রিয়া পরিবর্তিত হতে পারে; তাই অনানুষ্ঠানিক নিবন্ধন ওয়েবসাইটের বদলে সরকারি ডিজিটাল এজেন্সি পৃষ্ঠা ব্যবহার করুন এবং ভ্রমণ প্রস্তুতির সময় প্রদর্শিত নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

ভ্রমণের সময় সংশ্লিষ্ট নিশ্চিতকরণ বা ডিজিটাল তথ্য পাওয়ার সুযোগ রাখুন, কিন্তু আপনার পরিচয় বা প্রবেশের ভিত্তির একমাত্র প্রমাণ হিসেবে স্ক্রিনশট বা QR কোডের ওপর নির্ভর করবেন না। আপনার পাসপোর্ট এবং প্রয়োজনীয় মর্যাদা-সম্পর্কিত নথি গুরুত্বপূর্ণ। অনলাইন সেবা অপ্রাপ্য হলে বা আপনার পরিস্থিতি তার প্রক্রিয়ার সঙ্গে না মিললে বিমান সংস্থা, বিমানবন্দর, অভিবাসন কাউন্টার বা কাস্টমস কর্মকর্তার দেওয়া বর্তমান নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

আগমন কার্ড ও ঘোষিত তথ্য

‘জাপানের আগমন কার্ড’ বলতে সাধারণত অভিবাসন প্রক্রিয়ার জন্য তথ্য দেওয়ার বিদেশি নাগরিকের আগমন বা অবতরণ কার্ডকে বোঝায়। Visit Japan Web তার অভিবাসন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রাসঙ্গিক আগমনের তথ্য ইলেকট্রনিকভাবে জমা দেওয়ার সুযোগ দিতে পারে। সঠিক ডিজিটাল বা কাগজের প্রক্রিয়া বর্তমান সরকারি নির্দেশনা, প্রবেশের স্থান এবং ভ্রমণকারীর পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করতে পারে।

পুরোনো কাগজের ফর্ম, আগে ব্যবহৃত ওয়েবসাইট বা সংরক্ষিত নির্দেশনাই বর্তমান প্রক্রিয়া—এমন ধরে নেবেন না। আপনার ভ্রমণের জন্য উপলভ্য সরকারি আগমন নির্দেশনা অনুসরণ করুন। কাগজের বা বিমানবন্দর-প্রদত্ত ফর্ম প্রয়োজন হলে সতর্কতার সঙ্গে পূরণ করুন। বর্তমান প্রক্রিয়ায় আগে অনলাইনে জমা দেওয়া তথ্য ব্যবহার হলে অনুরোধের সময় বিবরণ সঠিক ও উপলভ্য আছে কি না নিশ্চিত করুন।

আগমন কার্ড বা অনলাইন নিবন্ধনের তথ্য আপনার পাসপোর্ট ও অন্যান্য নথির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখুন। এর মধ্যে নাম, জন্মতারিখ, জাতীয়তা, ভ্রমণের উদ্দেশ্য, থাকার প্রত্যাশিত সময় এবং অনুরোধ করা হলে জাপানে থাকার স্থান বা যোগাযোগের বিবরণ অন্তর্ভুক্ত। সত্য উত্তর দিন এবং কোনো গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য থাকলে তা ব্যাখ্যা করুন; তথ্য পরিবর্তিত হয়ে থাকলে পৃথক রেকর্ডকে জোর করে সামঞ্জস্যপূর্ণ দেখানোর চেষ্টা করবেন না। আগমন কার্ড ভিসার আবেদন নয় এবং তার বিকল্প হিসেবেও বিবেচনা করা উচিত নয়।

প্রস্তুত করার নথি ও বিবরণ

নিচের তালিকা সাধারণ প্রস্তুতির নির্দেশিকা, জাপানের অভিবাসন শর্তের সম্পূর্ণ তালিকা নয়। স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণকারীর কাছে চাওয়া নথি বসবাস, কাজ বা পড়াশোনার উদ্দেশ্যে প্রবেশকারী ব্যক্তির নথি থেকে আলাদা হতে পারে।

  • পাসপোর্ট: ভ্রমণে ব্যবহৃত পাসপোর্ট সঙ্গে রাখুন এবং ব্যক্তিগত তথ্য আপনার ভ্রমণ রেকর্ডের সঙ্গে মেলে কি না নিশ্চিত করুন।
  • প্রবেশের ভিত্তি: প্রযোজ্য ভিসা, ভিসামুক্ত প্রবেশের ভিত্তি বা অনুমতি-সম্পর্কিত অন্যান্য তথ্য প্রস্তুত রাখুন।
  • উদ্দেশ্য ও সময়কাল: আপনি কেন জাপানে প্রবেশ করছেন এবং কত দিন থাকার ইচ্ছা আছে—তা ব্যাখ্যা করার জন্য প্রস্তুত থাকুন।
  • জাপানি থাকার স্থান বা ঠিকানা: প্রথম হোটেল, বাসস্থান, স্কুলের আবাসন, নিয়োগকর্তার ব্যবস্থা করা থাকার স্থান বা অনুরোধ করা অন্য যোগাযোগের পূর্ণ নাম ও ঠিকানা সহজে পাওয়া যায় এমনভাবে রাখুন।
  • মর্যাদা-সম্পর্কিত নথি: কাজ, পড়াশোনা, পরিবারের সঙ্গে যোগদান বা অন্য কোনো চলমান উদ্দেশ্যে প্রবেশ করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত জাপানি কর্তৃপক্ষ বা পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান যে নথি আনতে বলেছে সেগুলো সঙ্গে রাখুন।
  • অনলাইন নিবন্ধনের তথ্য: Visit Japan Web ব্যবহার করলে ভ্রমণের তথ্য পাওয়ার সুযোগ রাখুন এবং তা প্রদর্শনের জন্য বর্তমান বিমানবন্দর নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

শিক্ষার্থী ও কর্মীদের নথির তালিকা স্কুল, নিয়োগকর্তা বা অন্য গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নেওয়া উচিত; আর ভিসা ও জাতীয়তা-নির্দিষ্ট প্রশ্নের জন্য আবেদনের দায়িত্বপ্রাপ্ত জাপানি দূতাবাস বা কনস্যুলেটে যোগাযোগ করা উচিত। বাহক বা সীমান্ত কর্মকর্তা ভ্রমণকারীর শ্রেণি অনুযায়ী ভিন্ন তথ্য চাইতে পারেন। ভিসার আবেদনের জন্য প্রস্তুত করা নথি পরবর্তী প্রতিটি অভিবাসন বা পৌর প্রক্রিয়ার জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে যথেষ্ট—এমন ধরে নেবেন না।

জাপানের সীমান্তে: অভিবাসন, আবাসিক কার্ড ও কাস্টমস

আগমনের প্রক্রিয়ার কয়েকটি পৃথক অংশ রয়েছে। ভ্রমণকারী অবতরণ করতে পারবেন কি না এবং কোন অনুমোদিত শর্তে পারবেন, তা অভিবাসন কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করে। পণ্য ও ঘোষণা কাস্টমস পরিচালনা করে। বিমানবন্দরের প্রক্রিয়ায় এগুলো পাশাপাশি মনে হলেও একটি সম্পন্ন করলেই অন্যটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হয় না।

অভিবাসন পরিদর্শন ও অবতরণের অনুমতি

অভিবাসন পরিদর্শনের সময় কর্মকর্তা ভ্রমণকারীর পরিচয়, ভ্রমণের উদ্দেশ্য, পাসপোর্ট, ভিসা বা প্রযোজ্য প্রবেশের ভিত্তি, সহায়ক তথ্য এবং অবতরণের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য শর্ত পর্যালোচনা করেন। পরিকল্পিত অবস্থান সম্পর্কে প্রশ্ন বা নথির ব্যাখ্যা চাইতে পারেন। অনলাইন আগমন ফর্ম পূরণ করলেই প্রবেশ নিশ্চিত হয় না।

Preview image for the video "অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পর্কিত তথ্য".
অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পর্কিত তথ্য

অবতরণের অনুমতি দেওয়া হলে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নথিভুক্ত মর্যাদা ও সময়কাল পরবর্তী অবস্থানের বৈধ কাঠামো নির্ধারণ করে। এটি শুধু ফ্লাইট বুকিং বা হোটেল সংরক্ষণের দিন গোনার থেকে আলাদা। পরিদর্শন এলাকা ছাড়ার আগে সম্ভব হলে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট রেকর্ড, অবতরণের অনুমতির তথ্য বা আবাসিক কার্ড পরীক্ষা করুন। ব্যক্তিগত তথ্য বা অনুমোদিত সময়কাল ভুল মনে হলে পরবর্তী প্রশাসনিক সময়সীমা পর্যন্ত অপেক্ষা না করে দ্রুত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানান।

অনুমোদিত শেষ তারিখের পরিষ্কার রেকর্ড রাখুন। ভ্রমণ পরিকল্পনা বদলালেও, ফ্লাইট বাতিল হলেও বা থাকার মেয়াদ বাড়লেও এই তারিখই অভিবাসনকাল নিয়ন্ত্রণ করে। মর্যাদা বা সময়কাল পরিবর্তনের প্রশ্ন আলাদা অভিবাসন বিষয়; বিদ্যমান অনুমতি সমস্যায় পরিণত হওয়ার আগে ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস এজেন্সির কাছে তা উত্থাপন করুন।

যোগ্য বাসিন্দাদের আবাসিক কার্ড প্রদান

যোগ্য মধ্যমেয়াদি থেকে দীর্ঘমেয়াদি বাসিন্দারা তাদের অনুমোদিত মর্যাদা ও থাকার সময়কালের প্রমাণ হিসেবে আবাসিক কার্ড পান। ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস এজেন্সি ব্যাখ্যা করে যে আবাসনের মর্যাদা-সম্পর্কিত অনুমতির ফলে যারা মধ্যমেয়াদি থেকে দীর্ঘমেয়াদে জাপানে বসবাস করেন, তাদের আবাসিক কার্ড দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর বা বন্দর বর্তমানে বিমানবন্দরে কার্ড প্রদানের ব্যবস্থা করলে আগমনের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কার্ড দেওয়া হতে পারে। অন্য ক্ষেত্রে প্রযোজ্য প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরে প্রদান বা পাঠানো হতে পারে। বাসিন্দা দায়িত্বপ্রাপ্ত পৌরসভায় জাপানি ঠিকানা জানানোর পর ঠিকানা প্রবেশ করানো বা হালনাগাদ করাও লাগতে পারে। তাই প্রতিটি বাসিন্দা একইভাবে কার্ড পাবেন—এমন ধরে না নিয়ে নির্দিষ্ট আগমনস্থলের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

আবাসিক কার্ড পাসপোর্ট, ভিসা বা অবতরণের অনুমতির বিকল্প নয়। পাসপোর্ট ভ্রমণকারীকে শনাক্ত করে এবং জাতীয়তা বা ভ্রমণের তথ্য নথিভুক্ত করে। ভিসা প্রয়োজন হলে তা প্রবেশ-পূর্ব প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। অবতরণের অনুমতি ও আবাসিক কার্ড অনুমোদিত বসবাসের শর্ত দেখায়। আপনার শ্রেণির প্রযোজ্য নথি সঙ্গে রাখুন এবং তথ্য সঠিক কি না পরীক্ষা করুন।

কাস্টমস ও ডিজিটাল আগমন প্রক্রিয়া

Visit Japan Web একই অনলাইন প্রক্রিয়ায় উভয়ের তথ্য দেখালেও অভিবাসন ও কাস্টমস পৃথক কর্তৃপক্ষ এবং পৃথক সিদ্ধান্ত।

প্রক্রিয়াপ্রধান বিষয়ভ্রমণকারীর করণীয়
অভিবাসনপরিচয়, উদ্দেশ্য, প্রবেশের ভিত্তি, মর্যাদা ও অনুমোদিত সময়কালসত্য আগমন তথ্য দিন এবং অভিবাসন কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুসরণ করুন
কাস্টমসকাস্টমস নিয়ম অনুযায়ী পণ্য, লাগেজ ও প্রয়োজনীয় ঘোষণাসঠিকভাবে ঘোষণা দিন এবং বিমানবন্দর বা বন্দরের কাস্টমস প্রক্রিয়া অনুসরণ করুন

Visit Japan Web কাস্টমস ঘোষণা ও অভিবাসন-সম্পর্কিত আগমন তথ্য উভয় ক্ষেত্রেই সহায়তা করতে পারে। পণ্য বা লাগেজ-সংক্রান্ত প্রশ্নসহ কাস্টমসের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিন এবং বিমানবন্দর কর্মীরা যে পথ বা কাউন্টার নির্দেশ করেন তা ব্যবহার করুন। অভিবাসন ছাড়পত্র স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাস্টমস ঘোষণা অনুমোদন করে না, আর কাস্টমস ঘোষণা আবাসনের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করে না। সরকারি কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে না জানালে দ্রুততর প্রক্রিয়া বা স্বয়ংক্রিয় অনুমোদনের দাবির ওপর নির্ভর করবেন না।

আগমনের পর: আবাসিক কার্ড ও ঠিকানা নিবন্ধন

যে ব্যক্তি জাপানে বসবাস করবেন, তার জন্য সীমান্ত প্রক্রিয়ার পর স্থানীয় প্রশাসনিক কাজ আসে। আবাসিক কার্ড ও পৌর বাসিন্দার রেকর্ডের উদ্দেশ্য আলাদা: একটি অভিবাসন মর্যাদা নথিভুক্ত করে, অন্যটি স্থানীয় প্রশাসনের জন্য ব্যক্তির নিবন্ধিত ঠিকানা রেকর্ড করে। একটি সম্পন্ন করলেই অন্যটি বাদ যায় না।

আবাসিক কার্ডে কী নথিভুক্ত থাকে

আবাসিক কার্ড অনুমোদিত বসবাসের সনদ এবং সেই বসবাস-সম্পর্কিত তথ্যের রেকর্ড—দুই হিসেবেই কাজ করে। ব্যক্তির মর্যাদা ও পরিস্থিতি অনুযায়ী এতে ব্যক্তিগত তথ্য, জাতীয়তা বা অঞ্চল, আবাসনের মর্যাদা, থাকার সময়কাল, কাজ-সম্পর্কিত অনুমতি এবং নিবন্ধিত ঠিকানা দেখা যেতে পারে। যোগ্য বিদেশি বাসিন্দা যে শর্তে জাপানে থাকতে পারেন, কার্ডটি সেই শর্তগুলো দেখানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।

স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণকারী ও যোগ্য মধ্যমেয়াদি থেকে দীর্ঘমেয়াদি বাসিন্দার শ্রেণির বাইরে থাকা ব্যক্তিরা সাধারণত আবাসিক কার্ড পান না। কার্ড থাকলেই প্রতিটি চাকরি, পড়াশোনা বা কার্যক্রম অনুমোদিত—এমন নয়। ধারককে মর্যাদার শর্ত ও পৃথক অনুমতি মেনে চলতে হবে। কার্ড হালনাগাদ রাখা বৃহত্তর অভিবাসন ও পৌর দায়িত্বের অংশ; এটি ঠিকানা নিবন্ধন বা মর্যাদা-সম্পর্কিত প্রতিবেদন দাখিলের বিকল্প নয়।

পৌরসভার সঙ্গে আপনার প্রথম ঠিকানা নিবন্ধন করুন

যোগ্য বাসিন্দাকে তিনি যেখানে থাকেন সেই এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত শহর, ওয়ার্ড,町 বা গ্রামের কার্যালয়ে জানাতে হবে। সাধারণ নিয়ম হলো বাসস্থানে ওঠার ১৪ দিনের মধ্যে ঠিকানা জানানো। এই নিয়ম স্থানীয় নিবন্ধনের জন্য বাসস্থান প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত; বিমানবন্দরে অবতরণের তারিখের সঙ্গে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক নয়।

আপনার প্রথম থাকার স্থান যদি অস্থায়ী হয়—যেমন দীর্ঘমেয়াদি বাসায় ওঠার আগে অল্প সময়ের হোটেলে থাকা—তাহলে আপনার পরিস্থিতিতে নিয়মটি কীভাবে প্রযোজ্য তা সংশ্লিষ্ট পৌর কার্যালয়ে জিজ্ঞাসা করুন। নিবন্ধনযোগ্য ঠিকানা কখন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তার ওপর সঠিক সূচনাবিন্দু নির্ভর করতে পারে। অন্যান্য স্থানীয় সেবা প্রয়োজন হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা না করে বিষয়টি বোঝার পর প্রযোজ্য সময়সীমা ক্যালেন্ডারে লিখে রাখুন।

পৌর কার্যালয়ের জন্য সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করুন:

  • বিমানবন্দর বা স্কুলের কাছের কার্যালয় নয়, আপনার প্রকৃত ঠিকানার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কার্যালয়টি চিহ্নিত করুন।
  • যাওয়ার আগে কাউন্টারের খোলার সময়,预约ের প্রয়োজন, ভাষা-সংক্রান্ত তথ্য এবং গ্রহণযোগ্য পরিচয়পত্র পরীক্ষা করুন।
  • আবাসিক কার্ড দেওয়া হয়ে থাকলে তা এবং আপনার ক্ষেত্রে চাওয়া পাসপোর্ট বা অন্যান্য নথি সঙ্গে আনুন।
  • উপলভ্য হলে ভবন বা কক্ষের তথ্যসহ সম্পূর্ণ জাপানি ঠিকানা রাখুন।
  • বিজ্ঞপ্তি জমা দেওয়ার প্রমাণ কীভাবে সংরক্ষণ করবেন এবং কখন বাসিন্দার সনদ বা সংশ্লিষ্ট রেকর্ড চাওয়া যাবে তা জিজ্ঞাসা করুন।

পৌর নথির শর্ত ভিন্ন হতে পারে, বিশেষত যখন আবাসিক কার্ড এখনো দেওয়া হয়নি বা কেউ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিবন্ধন করছেন। কোন ফর্ম ও নথি প্রযোজ্য তা পৌর কার্যালয় জানাতে পারে। বিজ্ঞপ্তির পর দেওয়া রসিদ, নিশ্চিতকরণ বা অনুলিপি সংরক্ষণ করুন।

জাপানের ভেতরে স্থানান্তর: ঠিকানা পরিবর্তনের বিজ্ঞপ্তি

পুরোনো ও নতুন ঠিকানা একই পৌরসভার মধ্যে কি না, তার ওপর সঠিক ঠিকানা প্রক্রিয়া নির্ভর করে। একই শহর, ওয়ার্ড,町 বা গ্রামের মধ্যে স্থানান্তরে সাধারণত সেই পৌরসভার কাছে ঠিকানা পরিবর্তনের বিজ্ঞপ্তি দিতে হয়। অন্য পৌরসভায় গেলে সাধারণত আগের পৌরসভার কাছে স্থানত্যাগের বিজ্ঞপ্তি এবং নতুন পৌরসভার কাছে স্থানগ্রহণের বিজ্ঞপ্তি দিতে হয়।

পরিস্থিতিপ্রধান পৌর পদক্ষেপযা নিশ্চিত করবেন
একই পৌরসভার মধ্যে স্থানান্তরবর্তমান পৌর কার্যালয়ে পরিবর্তনের কথা জানানস্থানান্তরের পর কোন ফর্ম ও সময়সীমা প্রযোজ্য তা নিশ্চিত করুন
অন্য পৌরসভায় স্থানান্তরআগের পৌরসভার স্থানত্যাগের ধাপ এবং নতুন পৌরসভার স্থানগ্রহণের ধাপ সম্পন্ন করুনকোনো ধাপ অনলাইনে বা ডাকযোগে জমা দেওয়া যায় কি না এবং কখন সরাসরি যেতে হবে তা নিশ্চিত করুন
জাপানের বাইরে স্থায়ী স্থানান্তরনিবন্ধিত বসবাস শেষ হচ্ছে—এ কথা পৌরসভাকে জানানবন্ধ বা হালনাগাদের জন্য কার্যালয়ের সময়, নথি ও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসনিক কাজ নিশ্চিত করুন

আগের ও নতুন পৌর কার্যালয় দুটিরই ভূমিকা থাকতে পারে; তাই বাড়িওয়ালা, স্কুল বা নিয়োগকর্তাকে জানালেই সরকারি বাসিন্দার রেকর্ড হালনাগাদ হয়—এমন ধরে নেবেন না। কিছু পৌরসভা প্রক্রিয়ার অংশ অনলাইনে বা ডাকযোগে করার সুযোগ দেয়, অন্যগুলোতে সরাসরি উপস্থিতি বা অতিরিক্ত পরিচয়পত্র লাগে। আপনার নির্দিষ্ট স্থানান্তরের জন্য কোন ধাপ প্রযোজ্য তা সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে জিজ্ঞাসা করুন এবং প্রতিটি জমাদানের নিশ্চিতকরণ সংরক্ষণ করুন।

মৌলিক বাসিন্দা নিবন্ধন ও ঠিকানার প্রমাণ

ঠিকানা নিবন্ধন যোগ্য বিদেশি বাসিন্দাদের জাপানের মৌলিক বাসিন্দা নিবন্ধন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করে। এটি ব্যক্তির নিবন্ধিত বাসস্থানের সরকারি স্থানীয় রেকর্ড তৈরি করে এবং পৌর প্রশাসনে সহায়তা করে। এটি অভিবাসন মর্যাদার আবেদন থেকে আলাদা হলেও বাসিন্দা হিসেবে জাপানে বসবাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

ঠিকানা প্রমাণ বা অন্যান্য পৌর সনদ প্রয়োজন হলে, সরকারি চিঠিপত্র পেলে বা দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ সম্পন্ন করলে হালনাগাদ বাসিন্দার রেকর্ড গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। ঠিকানা হালনাগাদ না করলে নথি ভুল জায়গায় যেতে পারে এবং পরবর্তী প্রক্রিয়া কঠিন হতে পারে। My Number-এর মতো সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাগুলো পৌর প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত, কিন্তু My Number কোনো ভিসা, আবাসনের মর্যাদা বা কাজের অনুমতি নয়।

আপনার পরিস্থিতিতে বর্তমানে কোন সনদ, ফর্ম ও পরিচয়পত্র পাওয়া যায় তা পৌর কার্যালয়ে জিজ্ঞাসা করুন। স্থানান্তরের সময় ব্যাংক, স্কুল, নিয়োগকর্তা বা ডেলিভারি সেবায় ব্যক্তিগত ঠিকানা পরিবর্তনের ওপর নির্ভর না করে পৌর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিবন্ধিত ঠিকানা হালনাগাদ করুন।

অবস্থানের সময় প্রতিবেদন ও পরিচয়-সংক্রান্ত দায়িত্ব

প্রাথমিক ঠিকানা নিবন্ধনের পর বাসিন্দাদের কিছু দায়িত্ব থাকতে পারে। এগুলো প্রতিটি বিদেশি নাগরিকের জন্য একই সার্বজনীন পর্যায়ক্রমিক প্রতিবেদন নয়। আবাসনের মর্যাদা, স্কুল বা নিয়োগকর্তার সঙ্গে সম্পর্ক, গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান এবং পরিবর্তনের ধরন অনুযায়ী দায়িত্ব নির্ভর করে। প্রতিটি পরিবর্তনকে কোন কর্তৃপক্ষকে এবং কখন জানাতে হবে তা জিজ্ঞাসা করার সংকেত হিসেবে নিন।

কাজ, পড়াশোনা বা গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন

কিছু শিক্ষার্থী, কর্মী ও অন্য মধ্যমেয়াদি থেকে দীর্ঘমেয়াদি বাসিন্দাকে গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্য পরিবর্তিত হলে অভিবাসন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হয়। মর্যাদা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক ঘটনার মধ্যে স্কুল ছেড়ে দেওয়া, নিয়োগকর্তা বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবর্তন, কোনো ব্যবস্থা সম্পন্ন হওয়া অথবা প্রতিষ্ঠানের নাম বা ঠিকানা পরিবর্তন অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি তার ভূমিকা পালন বন্ধ করলেও বিজ্ঞপ্তি প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

প্রতিটি বিদেশি বাসিন্দাকে প্রতিটি গ্রহণকারী-প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞপ্তি জমা দিতে হয় না। প্রযোজ্য দায়িত্ব আবাসনের মর্যাদা ও নির্দিষ্ট ঘটনার ওপর নির্ভর করে। কিছু বিজ্ঞপ্তির সময়সীমা সংক্ষিপ্ত এবং নির্দিষ্ট পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ১৪ দিনের সময়কাল প্রযোজ্য, কিন্তু প্রতিটি অভিবাসন আবেদন বা বিজ্ঞপ্তির জন্য এটি সার্বজনীন সময়সীমা নয়। কোন বিজ্ঞপ্তি প্রয়োজন, কোথায় পাঠাতে হবে এবং কখন জমা দিতে হবে তা স্কুল, নিয়োগকর্তা, তত্ত্বাবধায়ক প্রতিষ্ঠান বা আঞ্চলিক অভিবাসন পরিষেবা কার্যালয়ে জিজ্ঞাসা করুন। গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন চ্যানেলের একটি ব্যবহারিক সারাংশ আরও দিয়েছে কোবে বিশ্ববিদ্যালয়তবে আপনার মর্যাদার নিয়ম দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেই জানা উচিত।

পরিবর্তনের সম্ভাবনা থাকলে তা ঘটার তারিখ নথিভুক্ত করুন এবং দ্রুত নিশ্চিতকরণ প্রক্রিয়া শুরু করুন। জমা দেওয়া বিজ্ঞপ্তি ও ডাক বা অনলাইন নিশ্চিতকরণের অনুলিপি রাখুন। স্কুল বা নিয়োগকর্তা প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করতে পারেন, কিন্তু বাসিন্দার মর্যাদার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য দায়িত্ব বোঝার দায় বাসিন্দারই।

অনলাইন আবাসন আবেদন ও ইলেকট্রনিক বিজ্ঞপ্তি

Visit Japan Web প্রবেশ-সম্পর্কিত অভিবাসন ছাড়পত্র ও কাস্টমস ঘোষণার জন্য তৈরি। এটি অবস্থানকালে আবাসন আবেদন বা ইলেকট্রনিক বিজ্ঞপ্তির জন্য ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস এজেন্সির ব্যবহৃত চ্যানেলের মতো নয়। বিষয় অনুযায়ী থাকার মেয়াদ বাড়ানো, মর্যাদা পরিবর্তন, মর্যাদা-সম্পর্কিত আবেদন বা প্রতিষ্ঠান-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির জন্য পৃথক সরকারি ব্যবস্থা বা প্রক্রিয়া প্রযোজ্য হতে পারে।

অনলাইন জমা দেওয়ার সুযোগ কেবল নির্দিষ্ট আবেদনকারী, প্রতিনিধি, প্রতিষ্ঠান বা বিজ্ঞপ্তির ধরনের জন্য থাকতে পারে। ডিজিটাল অ্যাকাউন্ট বা অনলাইন ফর্ম নিজে থেকে যোগ্যতা, অনুমোদন বা বৈধ থাকার মেয়াদ বৃদ্ধি প্রতিষ্ঠা করে না। আবেদনকারীকে আইনি সময়সীমা মানতে, সঠিক তথ্য দিতে, প্রয়োজনীয় নথি আপলোড বা সরবরাহ করতে এবং প্রক্রিয়ায় দরকার হলে অভিবাসন কার্যালয়ে উপস্থিত হতে হবে।

একটি সাধারণ জাপান অনলাইন অভিবাসন নিবন্ধন ফর্ম খোঁজার বদলে নির্দিষ্ট আবেদন বা বিজ্ঞপ্তির জন্য বর্তমান ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস এজেন্সির নির্দেশনা ব্যবহার করুন। জমাদানের রসিদ, রেফারেন্স নম্বর বা অন্য নিশ্চিতকরণ সংরক্ষণ করুন এবং জমা সম্পূর্ণ হয়েছে কি না বা পরবর্তী কোনো কাজ দরকার কি না পরীক্ষা করুন। জমা দেওয়া আবেদন মানেই অনুমোদিত আবেদন নয়।

আবাসিক কার্ড সঙ্গে রাখুন ও প্রদর্শন করুন

প্রযোজ্য বাসিন্দাদের আবাসিক কার্ড সঙ্গে রাখতে এবং অনুমোদিত অভিবাসন বা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্মকর্তা চাইলে তা প্রদর্শন করতে হয়। ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস এজেন্সির FAQ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা চাইলে কার্ড সঙ্গে রাখা ও প্রদর্শনের দায়িত্ব ব্যাখ্যা করে।

কার্ড নিরাপদ কিন্তু সহজে পাওয়া যায় এমনভাবে দৈনন্দিন ভ্রমণে রাখুন। এটি পাসপোর্টের বিকল্প নয় এবং ব্যক্তির মর্যাদার বাইরে কোনো কার্যক্রম অনুমোদিত—এমন প্রমাণও নয়। কার্ড হারালে, চুরি হলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে দ্রুত সরকারি প্রতিবেদন ও প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া ব্যবহার করুন। পরিস্থিতি অনুযায়ী পুলিশে হারানো বা চুরির প্রতিবেদন এবং অভিবাসন প্রক্রিয়ার জন্য আঞ্চলিক অভিবাসন পরিষেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে হতে পারে। কার্ড পরিবর্তন করবেন না বা অনানুষ্ঠানিক প্রতিস্থাপনের ওপর নির্ভর করবেন না।

জাপান ত্যাগ ও অনুমোদিত থাকার মেয়াদ-সংক্রান্ত সমস্যা এড়ানো

প্রস্থান একই অভিবাসন সময়ক্রমের শেষ ধাপ। চলমান বসবাসের সময় বিদেশে অল্প সময়ের ভ্রমণ এবং জাপান থেকে স্থায়ীভাবে চলে যাওয়ার প্রশাসনিক ফল আলাদা। বাসিন্দার উচিত পৌর রেকর্ড, অভিবাসন নথি এবং স্কুল বা চাকরির ব্যবস্থা সমন্বয় করা; শুধু বিমান টিকিট বুকিংকে প্রস্থানের একমাত্র কাজ হিসেবে দেখা উচিত নয়।

জাপান ত্যাগ ও পৌর রেকর্ড হালনাগাদ

বিদেশে অস্থায়ী ভ্রমণ করলেই জাপানে নিবন্ধিত বসবাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয় না। আপনি কোনো পৌরসভা বা জাপান থেকে স্থায়ীভাবে চলে গেলে উপযুক্ত স্থানত্যাগের বিজ্ঞপ্তি ও সময় সম্পর্কে পৌর কার্যালয়ে জিজ্ঞাসা করুন। কোন ঠিকানা রেকর্ড ও স্থানীয় প্রক্রিয়া বন্ধ বা হালনাগাদ করতে হবে, কার্যালয় তা ব্যাখ্যা করতে পারে।

দীর্ঘমেয়াদি বসবাস শেষ করা বাসিন্দাদের প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে স্কুল, নিয়োগকর্তা, গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান, আবাসনদাতা, বিমা সংস্থা ও অন্যান্য স্থানীয় যোগাযোগের সঙ্গে সমন্বয় করা উচিত। আপনার নির্দিষ্ট ভ্রমণ ও পুনঃপ্রবেশ পরিস্থিতিতে প্রস্থানের সময় আবাসিক কার্ড নিয়ে কী করতে হবে তা অভিবাসন কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসা করুন এবং সীমান্তে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করুন। ফেরত দিতে, সংরক্ষণ করতে বা অন্য বৈধ প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করতে হবে কি না নিশ্চিত করার আগে অভিবাসন নথি ফেলে দেবেন না।

অস্থায়ী অনুপস্থিতি ও স্থায়ী স্থানান্তর আলাদা করে একটি লিখিত প্রস্থান তালিকা তৈরি করুন। এতে নিবন্ধিত বসবাস সত্যিই শেষ হলে বিজ্ঞপ্তি না দেওয়া বা খুব তাড়াতাড়ি পৌর বিজ্ঞপ্তি জমা দেওয়ার ঝুঁকি কমে।

অনুমোদিত থাকার সময়কাল নজরে রাখুন

অবতরণের অনুমতি বা আবাসিক কার্ডে দেখানো অনুমোদিত শেষ তারিখ লিখে রাখুন। ফ্লাইট বুকিং, হোটেল সংরক্ষণ, নিয়োগকর্তার সময়সূচি বা অনুমোদিত দিনের ব্যক্তিগত হিসাবের ওপর নির্ভর করবেন না। পরিকল্পনা বদলালেও বৈধ নতুন অনুমতি না পাওয়া পর্যন্ত অভিবাসনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তারিখটি অপরিবর্তিত থাকে।

অনুমোদিত সময়কাল পেরিয়ে জাপানে থাকা গুরুতর অভিবাসন সমস্যা তৈরি করতে পারে। অসুস্থতা, ফ্লাইট বাতিল, জরুরি অবস্থা বা অন্য কোনো কারণে সময়মতো চলে যেতে না পারার আশঙ্কা থাকলে শেষ তারিখের আগে ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস এজেন্সি বা উপযুক্ত আঞ্চলিক অভিবাসন পরিষেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করুন। নির্দিষ্ট পরিস্থিতির বৈধ প্রক্রিয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন। এটি সাধারণ তথ্য, ব্যক্তিগত আইনি পরামর্শ নয়; কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলেই নির্দিষ্ট প্রতিকার পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই।

কখন সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন

কোথা থেকে শুরু করবেন তা নির্ধারণে একটি সহজ কর্তৃপক্ষ-মানচিত্র ব্যবহার করুন:

  • শহর, ওয়ার্ড,町 বা গ্রামের পৌর কার্যালয়: প্রথম ঠিকানা নিবন্ধন, ঠিকানা পরিবর্তন, স্থানত্যাগের বিজ্ঞপ্তি, বাসিন্দার রেকর্ড এবং সংশ্লিষ্ট পৌর সনদ।
  • আঞ্চলিক অভিবাসন পরিষেবা কার্যালয় বা ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস এজেন্সি: আবাসনের মর্যাদা, থাকার সময়কাল, আবাসিক কার্ড, গ্রহণকারী-প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞপ্তি, অভিবাসন আবেদন এবং সম্ভাব্য অতিরিক্ত অবস্থান-সংক্রান্ত উদ্বেগ।
  • জাপানি দূতাবাস বা কনস্যুলেট: ভ্রমণের আগে ভিসার যোগ্যতা, ভিসার আবেদন এবং জাতীয়তা-নির্দিষ্ট প্রশ্ন।
  • স্কুল, নিয়োগকর্তা বা গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান: যে সম্পর্ক বা ঘটনা মর্যাদা-নির্দিষ্ট বিজ্ঞপ্তির কারণ হতে পারে সে সম্পর্কে তথ্য।

আপনার বাসিন্দার শ্রেণি নিয়ে অনিশ্চিত হলে, প্রত্যাশিত আবাসিক কার্ড না পেলে, ঠিকানা জানানোর সময়সীমা পেরিয়ে গেলে, স্কুল বা নিয়োগকর্তা পরিবর্তন করলে, অভিবাসন নথি হারালে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে, অথবা অনুমোদিত তারিখের আগে চলে যেতে না পারার আশঙ্কা থাকলে দ্রুত কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। পৌর কার্যালয় সাধারণত ঠিকানা রেকর্ড পরিচালনা করে, আর অভিবাসন কার্যালয় মর্যাদা ও আবাসিক কার্ডের বিষয় পরিচালনা করে। তথ্য জটিল হলে বা গুরুতর অভিবাসন ফলের সম্ভাবনা থাকলে যোগ্য অভিবাসন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার কথা বিবেচনা করুন।

জাপানের অভিবাসন প্রক্রিয়ার ব্যবহারিক তালিকা

এই তালিকাকে সূচনা হিসেবে ব্যবহার করুন, তারপর প্রতিটি বিষয় আপনার শ্রেণির সঙ্গে মিলিয়ে নিন। স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণকারীরা সাধারণত প্রথম দল ও আগমনের ধাপগুলো অনুসরণ করবেন; শিক্ষার্থী, কর্মী ও অন্যান্য বাসিন্দাদের অতিরিক্ত স্থানীয় ও চলমান ধাপও প্রয়োজন হবে।

ভ্রমণের আগে করণীয় তালিকা

প্রত্যেক ভ্রমণকারীর জন্য:

  • জাতীয়তা-নির্দিষ্ট প্রবেশের ভিত্তি, ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং থাকার প্রত্যাশিত সময়কাল নিশ্চিত করুন।
  • বর্তমান সরকারি জাপানি প্রবেশ নির্দেশনা এবং প্রযোজ্য ভিসা বা ভিসামুক্ত শর্ত পরীক্ষা করুন।
  • আপনার পাসপোর্টের তথ্য বিমান সংস্থা, থাকার স্থান, আগমন কার্ড ও অনলাইন নিবন্ধনের তথ্যের সঙ্গে মেলে কি না নিশ্চিত করুন।
  • প্রথম জাপানি থাকার স্থান বা যোগাযোগের ঠিকানা এবং আগমন প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য প্রস্তুত করুন।
  • অনলাইন আগমন নিবন্ধন ব্যবহার করতে চাইলে সরকারি ডিজিটাল এজেন্সি পৃষ্ঠায় বর্তমান Visit Japan Web নির্দেশনা পর্যালোচনা করুন।

বসবাস, কাজ বা পড়াশোনার জন্য প্রবেশকারী ব্যক্তির জন্য:

  • স্কুল, নিয়োগকর্তা, পরিবারের পৃষ্ঠপোষক বা অন্য গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের দেওয়া মর্যাদা-সম্পর্কিত নথি ও নির্দেশনা নিশ্চিত করুন।
  • আগমনস্থলে আবাসিক কার্ড পাওয়ার কথা কি না বা পরে দেওয়া হতে পারে কি না বুঝে নিন।
  • প্রথম ঠিকানার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত পৌর কার্যালয় চিহ্নিত করুন এবং তার সময়সূচি ও প্রক্রিয়ার শর্ত নোট করুন।
  • অবতরণের সময় যে অনুমোদিত সময়কাল পাওয়ার আশা করছেন তা লিখে রাখুন, তারপর অভিবাসন পরিদর্শনের পর প্রকৃত তারিখ পরীক্ষা করুন।

আগমন ও প্রথম ১৪ দিনের করণীয় তালিকা

  1. অভিবাসন পরিদর্শন সম্পন্ন করুন এবং পরিচয়, উদ্দেশ্য, নথি ও থাকার পরিকল্পনা সম্পর্কে সত্য উত্তর দিন।
  2. সম্ভব হলে পরিদর্শন এলাকা ছাড়ার আগে অবতরণের অনুমতি ও অনুমোদিত শেষ তারিখ নিশ্চিত করুন।
  3. যোগ্য হলে আবাসিক কার্ড নিন বা নিশ্চিত করুন এবং পরে প্রদান করা হলে নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
  4. কাস্টমস আলাদাভাবে সম্পন্ন করুন এবং বর্তমান বিমানবন্দর বা বন্দরের নির্দেশনা অনুযায়ী পণ্য সঠিকভাবে ঘোষণা করুন।
  5. জাপানে বসবাস করলে নিবন্ধিত বসবাস কখন শুরু হচ্ছে তা নির্ধারণ করুন, বিশেষত প্রথম থাকার স্থান অস্থায়ী হলে।
  6. প্রযোজ্য ১৪ দিনের ঠিকানা-বিজ্ঞপ্তির সময়সীমার মধ্যে আবাসিক কার্ড, পাসপোর্ট, ঠিকানার বিবরণ ও অনুরোধ করা অন্যান্য নথি নিয়ে সঠিক পৌর কার্যালয়ে যান।
  7. পৌর ফর্মের অনুলিপি বা নিশ্চিতকরণ সংরক্ষণ করুন এবং ঠিকানার প্রমাণ বা অন্যান্য বাসিন্দা সনদ কীভাবে পাবেন তা জিজ্ঞাসা করুন।

নতুন বাসিন্দার জন্য প্রথম ১৪ দিন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আগমনের পর শিগগিরই আবার স্থানান্তরিত হলে প্রথম ঠিকানা নিবন্ধন করতে হবে কি না এবং পরবর্তী স্থানান্তর কীভাবে জানাতে হবে তা জিজ্ঞাসা করুন। স্থানীয় নির্দেশনা ফর্ম, সময় এবং জমা দেওয়ার পদ্ধতিতে ভিন্ন হতে পারে।

চলমান অবস্থান ও প্রস্থানের করণীয় তালিকা

  • আবাসিক কার্ড নিরাপদে রাখুন, প্রয়োজন হলে সঙ্গে বহন করুন এবং হারালে, চুরি হলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে সরকারি প্রক্রিয়া ব্যবহার করুন।
  • যখনই স্থানান্তরিত হবেন, পৌরসভার কাছে নিবন্ধিত ঠিকানা হালনাগাদ রাখুন।
  • পড়াশোনা, কাজ বা প্রতিষ্ঠানের তথ্যে পরিবর্তন হলে অভিবাসন বিজ্ঞপ্তির প্রয়োজন তৈরি হয় কি না স্কুল, নিয়োগকর্তা বা গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানকে জিজ্ঞাসা করুন।
  • প্রযোজ্য সময়সীমার মধ্যে প্রয়োজনীয় পৌর, অভিবাসন কার্যালয়, ডাক বা অনলাইন চ্যানেলের মাধ্যমে সঠিক বিজ্ঞপ্তি বা আবাসন আবেদন জমা দিন।
  • অনুমোদিত শেষ তারিখ লিখে রাখুন এবং পরিকল্পনা পরিবর্তনে সময়মতো প্রস্থান বা অন্য কোনো বৈধ আবেদনে প্রভাব পড়তে পারে মনে হলে তার আগেই ব্যবস্থা নিন।
  • স্থায়ী প্রস্থানের ক্ষেত্রে পৌরসভার স্থানত্যাগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করুন এবং প্রযোজ্য স্কুল, নিয়োগকর্তা, বিমা, আবাসন, আবাসিক কার্ড ও অভিবাসন-সংক্রান্ত ধাপ সমন্বয় করুন।

প্রতিটি ধাপ সঠিক কর্তৃপক্ষ ও সময়সীমার সঙ্গে মিলিয়ে নিলে জাপানের অভিবাসন প্রক্রিয়া পরিচালনা করা সহজ হয়। ফর্ম, অনলাইন সেবা ও স্থানীয় নির্দেশনা পরিবর্তিত হতে পারে; তাই আপনার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস এজেন্সি, আঞ্চলিক অভিবাসন পরিষেবা কার্যালয়, পৌর কার্যালয়, Visit Japan Web এবং জাপানি দূতাবাস বা কনস্যুলেটের বর্তমান তথ্য ব্যবহার করুন।

এলাকা নির্বাচন করুন